মে ২৫, ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে নরওয়ে। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স আসরের পর ফুটবল বিশ্বের এই মহাযজ্ঞে আর দেখা যায়নি দেশটিকে। ম্যানচেস্টার সিটির গোলমেশিন আর্লিং হলান্ডের হাত ধরেই এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে নরওয়ে। তার জন্ম হওয়ার আগে থেকে শুরু হওয়া এই খরা অবশেষে কাটল।
বাছাইপর্বে ১৬ গোল করে রেকর্ড গড়েছেন হলান্ড।এতদিন আন্তর্জাতিক কোনো বড় টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ না পাওয়ায় হলান্ডকে বাধ্য হয়েই অন্য দেশের জন্য গলা ফাটাতে হতো।
এখন চিত্র বদলেছে, নরওয়ের শিশুরা আর আক্ষেপে পুড়বে না। হলান্ড জানিয়েছেন, নিজের দেশের হয়ে বিশ্বকাপে খেলতে পারাটা তার জীবনের অন্যতম বড় তৃপ্তি। বাছাইপর্বের রেকর্ড গড়া পারফরম্যান্সের পর এখন তার পুরো মনোযোগ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মঞ্চে।
বাবার স্মৃতিবিজড়িত স্টেডিয়ামে খেলার রোমাঞ্চে ভুগছেন তিনি।১৯৯৪ সালে হলান্ডের বাবা আলফ-ইঙ্গস হলান্ড যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপে খেলেছিলেন। এবার একই ভেন্যুতে সেনেগালের মুখোমুখি হবে নরওয়ে।
বাবার কাছ থেকে শোনা বিশ্বকাপের গল্পগুলো এখন তার নিজের জীবনে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। স্বপ্ন পূরণের এই ক্ষণটি তার কাছে ভীষণ বিস্ময়কর ও আকর্ষণীয়। নরওয়ের পুনরুত্থান ফুটবল রোমান্টিকদের মনে নতুন করে দোলা দিচ্ছে।তিনি এখন কেবল সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় আছেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন