রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়া ও মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ১২, ২০২৬, ১০:২৪ এএম

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়া ও মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়

২০২৬ ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের গ্রুপ পর্বের এ গ্রুপের ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। মেক্সিকোর এস্তাদিও গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় এশিয়ার পরাশক্তিরা। ম্যাচ শুরুর আগে মাঝখানে দক্ষিণ কোরিয়ার খেলোয়াড়েরা গোল হয়ে দাঁড়িয়ে জয়ের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করেন। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের তিনটি গোলই হয়।বদলি খেলোয়াড় ওহ হিয়ন-গিউর জয়সূচক গোলে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত হয় দক্ষিণ কোরিয়ার।

ম্যাচের প্রথমার্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার লি হান-বিওম এবং চেক প্রজাতন্ত্রের পাভেল সুলকের মধ্যে বল দখলের তীব্র লড়াই চলতে দেখা যায়। তবে গোলের দেখা মেলে বিরতির পর। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে প্রথম গোল করে চেক প্রজাতন্ত্রকে এগিয়ে দেন ডিফেন্ডার লাদিস্লাভ ক্রেজচি। তাকে গোল করতে নিখুঁতভাবে সহায়তা করেন ভ্লাদিমির কুফাল। কিন্তু ইউরোপের দলটি এই ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। ৬৭ মিনিটে লি কাং-ইনের চমৎকার পাসে গোল করে দক্ষিণ কোরিয়াকে সমতায় ফেরান মিডফিল্ডার হুয়াং ইন-বিওম। এরপর ৮০ মিনিটে ওহ হিয়ন-গিউর চমৎকার গোল দলটির জয় নিশ্চিত করে।

ম্যাচের ৬৩ মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম পরিবর্তন আনে, মিডফিল্ডার লি জে-সাংয়ের পরিবর্তে মাঠে নামেন হুয়াং হি-চ্যান। এর এক মিনিট পর চেক প্রজাতন্ত্র একযোগে তিনটি পরিবর্তন করে যেখানে মিহাল সাদিলিক, তোমাস চোরি এবং আদাম হ্লোজেক মাঠে আসেন লুকাশ প্রোভোদ, প্যাট্রিক শিক এবং পাভেল সুলকের পরিবর্তে। এরপর ৬৯ মিনিটে সন হিউং-মিন এবং লি টে-সকের পরিবর্তে ওহ হিয়ন-গিউ এবং ইওম জি-সাংকে মাঠে নামায় দক্ষিণ কোরিয়া।

পুরো ম্যাচে ৬২ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেছিল দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাদের পাসের সঠিকতার হার ছিল ৮৭ শতাংশ। তারা মোট ১৫টি শট নেয় যার মধ্যে ৭টি ছিল টার্গেটে। অন্যদিকে চেক প্রজাতন্ত্রের বল দখল ছিল ৩৮ শতাংশ এবং তারা ৮টি শটের মধ্যে ৪টি টার্গেটে রাখতে সক্ষম হয়। ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্র ১৬টি ফাউল করলেও কোনো কার্ড দেখেনি, কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়া ৯টি ফাউল করার পাশাপাশি একটি হলুদ কার্ড পেয়েছে। উভয় দলই ম্যাচজুড়ে ২টি করে অফসাইডের ফাঁদে পড়ে। দক্ষিণ কোরিয়া ৪টি এবং চেক প্রজাতন্ত্র ৫টি কর্নার লাভ করে।