রবিউল এহ্সান রিপন
ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ১০:৩৯ এএম
ছবি-দিনাজপুর টিভি
উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। টানা ৪-৫ দিন ধরে ঘন কুয়াশা আর হাড়কাঁপানো হিমেল বাতাসে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ভোরে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তীব্র শীতের পাশাপাশি বৃষ্টির মতো ঝরা কুয়াশায় ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ।সরেজমিনে দেখা গেছে, সন্ধ্যা নামার আগেই চারপাশ ধূসর কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে।
রাত ১০টার পর থেকে বৃষ্টির মতো ঝিরিঝিরি কুয়াশা ঝরতে শুরু করে, যা পরদিন দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকছে। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে দৃষ্টিসীমা কমে আসায় যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে।
বিশেষ করে ভ্যানচালক, দিনমজুর ও ছিন্নমূল মানুষেরা এই কনকনে শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. আলমগীর কবীর জানান, বুধবার ভোরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৫ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ ২৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “তীব্র শীত ও দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশার কারণে রবি ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। আমরা কৃষকদের আগাম সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছি এবং মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছেন।
শীতের প্রকোপ বাড়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের বাজারগুলোতে পুরোনো ও নতুন শীতবস্ত্র কেনার ধুম পড়েছে। তবে নিম্নবিত্ত মানুষেরা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। স্থানীয় সচেতন মহল এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে শীতার্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও বিত্তবানদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।