বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬,

কাহারোলে ফার্মেসী সহ একাধিক ফাস্ট ফুডের দোকানে অভিযান ও জরিমানা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম

কাহারোলে ফার্মেসী সহ একাধিক ফাস্ট ফুডের দোকানে অভিযান ও জরিমানা

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার মূল বাজারে আজ বুধবার ঔষধের ফার্মেসি, ফাস্ট ফুডের দোকান এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ০৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইশতিয়াক আহমেদ। 

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে এই যৌথ অভিযান চালানো হয়।অভিযান পরিচালনাকালে কর্মকর্তারা ফার্মেসি মালিকদের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের ভয়াবহতা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন। 

এ সময় রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র বা প্রেসক্রিপশন ব্যতীত কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ বিক্রি না করার জন্য কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়। নির্দেশনার কোনো ব্যত্যয় ঘটলে ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

তদারকি চলাকালে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ সংরক্ষণের দায়ে কাহারোল বাজারের মেসার্স হিমু মেডিকেল স্টোরকে ৩ হাজার টাকা এবং নকীব ফার্মেসিকে ৪ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়। একই সাথে অন্যান্য ফার্মেসিগুলোকে ঔষধের গুণগত মান নিশ্চিত ও ড্রাগ লাইসেন্স হালনাগাদ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঔষধের পাশাপাশি বাজারের বিভিন্ন ফাস্ট ফুডের দোকানগুলোও পরিদর্শন করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

খাবারের দোকানে অভিযান চলাকালে অননুমোদিত ফুড সাপ্লিমেন্ট, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী রাখা এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করার দায়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এ সময় জব্দকৃত অস্বাস্থ্যকর ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়াও কাহারোল বাজারে অবস্থিত ভিশন ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করে অভিযানকারী টিম। প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় প্রতিষ্ঠানটির সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. সামিউল ইসলাম এবং স্থানীয় থানা পুলিশের সদস্যরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে জনস্বার্থ রক্ষায় কাহারোলে এ ধরনের তদারকি ও মোবাইল কোর্ট অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।