জিন্নাত হোসেন
নভেম্বর ৭, ২০২৫, ০৬:১৬ পিএম
ছবি-দিনাজপুর টিভি
দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও চারা রোপণে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিতজিন্নাত হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধিদিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন ও অঙ্গ প্রতিষ্ঠানসমূহের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও নিম গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে।শুক্রবার (৭ নভেম্বর, ২০২৫) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে স্থাপিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন চত্বরে নিম গাছের চারা রোপণ করা হয়। এছাড়াও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) দিনাজপুর শাখার নেতৃবৃন্দ পৃথকভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আজাদ, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) দিনাজপুর শাখার আহ্বায়ক ডা. হাফিজুল ইসলাম, সদস্য সচিব ডা. মো. জিয়াউল হক (জিয়া), ডা
সারওয়ার মোরশেদ আলম, ডা. নূর জামান সরকারসহ অন্যান্য চিকিৎসকবৃন্দ এবং জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের পাবলিক রিলেশন অ্যান্ড অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার সৈয়দ শফিকুর রহমান (পিন্টু) প্রমুখ।অনুষ্ঠানে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আজাদ বলেন:১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর এই দিনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ মানুষের যৌথ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে অরাজকতা ও অনিশ্চয়তার ঘোর কাটিয়ে বাংলাদেশে সূচিত হয়েছিল নতুন যাত্রা।"
সেদিন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রাস্তায় নেমে আসে হাজারো মানুষ, উদযাপিত হয় সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যার পরপরই রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।"ওইদিন জাতি আবারও শুনেছিল তার কণ্ঠ—'আমি জিয়া বলছি'।
মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে যে কণ্ঠে জাতি শুনেছিল স্বাধীনতার আহ্বান, আবারও সেই কণ্ঠে তারা শুনেছিল আশ্বাসের সুর।"স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লব ও বিজয়ের মিছিলে ভরে গিয়েছিল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরের রাস্তা। সৈনিক ও সাধারণ মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, হাতে হাত রেখে উচ্চারণ করেছিল: সিপাহী-জনতা ভাই ভাই; বাংলাদেশ জিন্দাবাদ; মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান জিন্দাবাদ; সিপাহী-জনতা এক হও।