শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

বাংলাদেশ-পাকিস্তান যুদ্ধবিমান আলোচনা: নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভারত

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৯:২০ পিএম

বাংলাদেশ-পাকিস্তান যুদ্ধবিমান আলোচনা: নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভারত

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে জেএফ-১৭ থান্ডার (JF-17 Thunder) যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাব্য আলোচনা এবং দুই দেশের কূটনৈতিক ঘনিষ্ঠতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, এই আলোচনার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং জাতীয় নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে—এমন সব বিষয়ের ওপর তারা তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানান।

সম্প্রতি বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খানের ইসলামাবাদ সফর এবং সেখানে যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের এই অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।

রণধীর জয়সওয়াল বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে এমন সব পরিস্থিতির ওপর আমরা গভীর নজর রাখছি।” মূলত চীনের সহায়তায় পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সের তৈরি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বাংলাদেশের হাতে এলে আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়েই সতর্ক দিল্লি।সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করার প্রসঙ্গটিও উঠে আসে। ফ্লাইট চলাচলে ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারের জন্য ঢাকা বা ইসলামাবাদ নয়াদিল্লির অনুমতি চেয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন।

এ ধরনের বিষয়গুলো বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান বিমান পরিষেবা চুক্তি (Air Services Agreement) অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার বিষয়ে ভারতের শক্ত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন জয়সওয়াল। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশে উগ্রবাদীদের মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বারবার হামলার একটি উদ্বেগজনক ধারা প্রত্যক্ষ করছি। এ ধরনের সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলো দ্রুত ও কঠোরভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।

হামলার কারণ হিসেবে ‘ব্যক্তিগত শত্রুতা’ বা ‘রাজনৈতিক বিরোধ’র অজুহাত দেখানোকে ভারত ‘উদ্বেগজনক প্রবণতা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। মুখপাত্রের মতে, এ ধরনের দায়সারা দৃষ্টিভঙ্গি কেবল উগ্রবাদী এবং অপরাধীদের উৎসাহিত করে এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার বোধকে আরও গভীর করে।বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারত বরাবরই অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের সমর্থন ও আহ্বান জানিয়ে আসছে, যাতে একটি বিশ্বাসযোগ্য জনমত বা ম্যান্ডেট প্রতিষ্ঠিত হয়।