শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

ইরানের গ্যাস পাইপলাইন ও প্রশাসনিক ভবনে বড় হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্চ ২৪, ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম

ইরানের গ্যাস পাইপলাইন ও প্রশাসনিক ভবনে বড় হামলা

ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস স্টেশন

ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজের বরাতে জানা গেছে যে, এবার ইরানের ইসফাহান শহর এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় খোররামশাহর এলাকার গ্যাস স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

তেহরান এই হামলার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এই ধরনের অবকাঠামোগত হামলা নতুন করে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিস্তারিত তথ্যে জানা যায়, ইসফাহান শহরের কাভেহ স্ট্রিটে অবস্থিত গ্যাস প্রশাসনিক ভবন এবং গ্যাস চাপ নিয়ন্ত্রণ স্টেশনে এই হামলা চালানো হয়। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, এসব স্থাপনা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া খোররামশাহর বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত প্রধান গ্যাস পাইপলাইনেও বিস্ফোরণ বা হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে একই সূত্র নিশ্চিত করেছে। 

যদিও এই হামলায় কোনো প্রাণহানির খবর এখনো পাওয়া যায়নি, তবে জাতীয় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।কৌতূহলজনক বিষয় হলো, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সরাসরি হামলার হুমকি থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে এবং বড় কোনো সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে। কিন্তু সেই বক্তব্যের রেশ কাটতে না কাটতেই এই হামলার খবর বিশ্ব গণমাধ্যমে সামনে এলো। 

এখন পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা দায় স্বীকার করা হয়নি। তবে সমর বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের হামলা দুই দেশের মধ্যকার চলমান ছায়াযুদ্ধকে আরও উসকে দিতে পারে। হরমুজ প্রণালী ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিতিশীলতার মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।