বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

দক্ষিণ লেবাননে তুমুল সংঘর্ষে গুরুতর আহত ২ ইসরাইলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্চ ২৭, ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম

দক্ষিণ লেবাননে তুমুল সংঘর্ষে গুরুতর আহত ২ ইসরাইলি

লেবাননে ইসরাইলি সেনা

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সাথে সরাসরি লড়াইয়ে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দুই সদস্য গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়, দক্ষিণ লেবাননের একটি রণক্ষেত্রে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে একজন পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা এবং একজন সাধারণ সৈনিক মারাত্মকভাবে আহত হন।

 আহত হওয়ার পরপরই তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টার যোগে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং বর্তমানে তারা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী লেবাননের ওই বিশেষ অঞ্চলে তাদের স্থল অভিযান অত্যন্ত জোরালোভাবে পরিচালনা করছে। গত ২ মার্চ থেকে লেবাননের ওপর বড় ধরনের এই সামরিক হামলা শুরু করে ইসরাইল। তেল আবিবের দাবি, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে এবং উত্তর ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। 

তবে স্থল অভিযানে ইসরাইলি সেনাদের নিয়মিতভাবে হিজবুল্লাহর তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়তে হচ্ছে, যার ফলে তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে।এদিকে লেবানন থেকেও হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। হিজবুল্লাহর দাবি, তাদের এই হামলাগুলো ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি সংগত জবাব। সীমান্ত জুড়ে চলা এই পাল্টাপাল্টি লড়াই এখন এক ভয়াবহ যুদ্ধে রূপ নিয়েছে, যা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে বর্তমানে তুমুল লড়াই চলছে।সংঘাত শুরুর পর থেকে লেবাননের জনপদগুলোতে ইসরাইলি বিমান হামলা ও কামানের গোলার আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরবাড়ি ছেড়েছেন। 

বিশ্ব সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হলেও রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে। ইসরাইল তাদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, অন্যদিকে হিজবুল্লাহও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।