বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬,

বার কাউন্সিল নির্বাচনে লড়তে ব্যারিস্টার সুমনের রিট

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম

বার কাউন্সিল নির্বাচনে লড়তে ব্যারিস্টার সুমনের রিট

ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন

কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় আসন্ন বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক (ব্যারিস্টার সুমন)। নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় মনোনয়ন ফরমে নিজের স্বাক্ষর করার অনুমতি চেয়ে তিনি বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি রিট আবেদন জমা দিয়েছেন। 

আবেদনটিতে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে ঢাকা জেলা প্রশাসকের প্রতি নির্দেশনা দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এই রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে। পেশাজীবী এই সংগঠনের নির্বাচনে লড়ার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে ফরমে প্রার্থীর স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। এর আগে গত রোববার ব্যারিস্টার সুমনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছিলেন। 

সেখানে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১৯ মে বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে এবং ১৬ এপ্রিলের মধ্যে মনোনয়ন জমা দিতে হবে। কিন্তু সুমন বর্তমানে কারাগারে থাকায় জেল কোড অনুযায়ী স্বাক্ষর সংগ্রহের জন্য প্রশাসনিক অনুমতির প্রয়োজন।আইনজীবী লিটন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, ব্যারিস্টার সুমন দেশের আইনজীবীদের এই শীর্ষ সংগঠনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী। কারাবন্দি থাকলেও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের গণতান্ত্রিক ও পেশাজীবী অধিকার নিশ্চিত করতে তিনি এই রিট করেছেন। যথাযথ প্রশাসনিক অনুমতি পেলে সময়মতো মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য যে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ২২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত সাতটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর থেকেই তিনি কারাবন্দি অবস্থায় আছেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন সময় নানা সামাজিক ও আইনি ইস্যুতে সরব থাকা এই আইনজীবী এবার জেল থেকেই পেশাজীবী নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এলেন। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে তাঁর নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি।