জুন ৪, ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৭ জুন দিন ধার্য করেছেন।
চার কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কাজ শেষ করে ট্রাইব্যুনাল একটি নজির স্থাপন করলেন।আসামি সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু বলেন, মামলার সাক্ষী ও সাক্ষ্যপ্রমাণে সন্দেহাতীতভাবে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।
সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করেন এবং স্ত্রী স্বপ্না খাতুন তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। অপরাধের ভয়াবহতা বিবেচনায় আদালত তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেবেন বলে রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কালিমুল্ল্যাহ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।তিনি আদালতে বলেন, আসামি সোহেল ঘটনার সময় নেশাগ্রস্ত ছিলেন এবং নিজেকে জড়িয়ে দেওয়া জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। সোহেলের যাবজ্জীবন সাজা এবং অপর আসামি স্বপ্নার বিরুদ্ধে লাশ গুমের অভিযোগ থাকায় ২০১ ধারায় সাত বছরের সাজার আবেদন করেছেন তিনি। এর আগে গত ২ জুন ট্রাইব্যুনাল টানা ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
গত ১৯ মে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসার মস্তকবিহীন লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা মামলা দায়ের করলে পুলিশ স্বপ্না খাতুন ও পরে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে। সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং বর্তমানে তারা উভয়ই কারাগারে আছেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন