বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

জাতীয় ডেস্ক

এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১০:০৬ এএম

বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান

পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার এক বাণীতে তিনি পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত প্রতিটি সম্প্রদায়ের মানুষকে অভিনন্দন জানান। 

একইসঙ্গে তিনি আসন্ন বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন যে, বাংলা নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলে পালিত হওয়া এসব উৎসব বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতিরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। 

তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সকল মানুষের নিজস্ব ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজনগুলো আমাদের জাতীয় জীবনকে সমৃদ্ধ করে। এই উৎসবগুলো সাধারণ মানুষের জীবনে শান্তি, সৌহার্দ্য ও অনাবিল আনন্দ বয়ে আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে দেশের জাতীয় ইতিহাসের গৌরবময় অংশ হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর মতে, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর এই ঐতিহ্য ও ইতিহাস আমাদের জাতীয় সংস্কৃতিকে আরও প্রাচুর্যময় এবং সৌন্দর্যমণ্ডিত করে তুলেছে। মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও মিলনের যে শাশ্বত বাণী আমাদের লোকজ ঐতিহ্যে মিশে আছে, তা এসব উৎসবের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হয় বলে তিনি মনে করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্ব দরবারে দেশের মর্যাদাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার রক্ষা এবং তাদের মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন যে, পাহাড় কিংবা সমতল যেখানেই মানুষ বসবাস করুক না কেন, একজন বাংলাদেশি হিসেবে প্রত্যেকেরই সমান অধিকার ও সুযোগ পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, পাহাড়ি সম্প্রদায়ের এই বিশেষ সামাজিক উৎসব এবং বাংলা নববর্ষ সকলের জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। দেশের প্রতিটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সার্বিক অগ্রগতি, বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি উন্নত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। উৎসবের এই দিনগুলোতে পাহাড়ি জনপদগুলোতে যে আনন্দের ধারা বইছে, তা যেন দেশের সামগ্রিক সম্প্রীতিকে আরও শক্তিশালী করে, বাণীতে সেই বার্তাই দিয়েছেন তিনি।