এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার কৃষি ও কৃষককে দেশের অর্থনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। তাঁর মতে, আমাদের মাটির উর্বরতা আর শ্রমজীবী কৃষকের ঘামই দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) প্রাঙ্গণে পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সাংবাদিক সমাজ ও দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই সরকার নতুন উদ্দীপনায় দেশ পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে।
তিনি ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, মোগল সম্রাটরা মূলত কৃষকদের ফসল উৎপাদন ও খাজনা আদায়ের মধ্যে ভারসাম্য আনতেই বাংলা সনের প্রবর্তন করেছিলেন। সেই কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতেই সরকার এ বছর পহেলা বৈশাখকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের দিন হিসেবে বেছে নিয়েছে।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী আজ টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঐতিহাসিক কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন। বর্তমান সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দেশের অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করে নিজেদের পায়ে দাঁড় করানো। আর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি কৃষকের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে কৃষি খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সারাদেশে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদযাপনকে গণতন্ত্রের স্বাভাবিক পরিবেশের প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সারাদেশে বিরাজমান এই উৎসবের আমেজ প্রমাণ করে যে দেশে এখন একটি মুক্ত ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিদ্যমান। আমরা এই সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশকে দেশের সমৃদ্ধির স্বার্থে অব্যাহত রাখতে চাই। র্যালি ও আলোচনা সভা শেষে ডিআরইউ আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী পুতুল নাচ প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন করেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ। এর আগে মন্ত্রী আনন্দ র্যালিতে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন