বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ৩০, ২০২৬, ১০:১৬ এএম

জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

ছবি - সংগৃহীত

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। বাণীতে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে নির্মোহ জীবন, বলি ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং বাস্তববাদী রাষ্ট্রনায়কের স্বরূপ জনগণের মণিকোঠায় চিরজক থাকবে। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতিকে জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে নির্মমভাবে শহীদ হন তিনি।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবন, অগাধ দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর নীতি এবং ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে তার সশস্ত্র যুদ্ধের আহ্বান সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও অবদান রাখার কারণে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।

রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে তিনি বহুমুখী পরিকল্পনা নেন। তার ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার নিখুঁত রূপরেখা।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে তিনি একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রেও তার অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। দেশ পরিচালনায় তিনি স্বল্প সময় পেলেও গভীর দেশপ্রেম ও कर्तव्यনিষ্ঠার সঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন বলে বাণীতে উল্লেখ করা হয়।