সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ সম্বোধন বাদ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের কার্যালয় থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিয়ম কার্যকর করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মতো নিয়ম মেনে ডিজিটাল হাজিরাও দিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে প্রবেশের আগে তিনি এই ডিজিটাল হাজিরা দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দিনের দাপ্তরিক কাজ শেষে কার্যালয় ছাড়ার সময়ও তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে হাজিরা দিয়ে বের হয়েছেন। এর আগে বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক পরিপত্রে জানানো হয়, রাষ্ট্রীয় শীর্ষ পদগুলোর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। সেই নির্দেশনার আলোকেই এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো ফাইলে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ লেখার বদলে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ লেখা হচ্ছে।
সরকারি নির্দেশনার বাস্তবায়ন কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ থাকছে না। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এই সিদ্ধান্তটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ধারাবাহিক ইতিবাচক উদ্যোগেরই একটি অংশ। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিশেষণের চেয়ে দায়িত্ব, জনসেবা এবং দেশের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকারপ্রধান হয়েও দাপ্তরিক নিয়মের ক্ষেত্রে তিনি নিজের ওপর তা প্রয়োগ করে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রশাসনে সময়ানুবর্তিতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের অংশ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা ব্যক্তি সাধারণ দাপ্তরিক নিয়ম মেনে চলায় অন্যদের কাছেও একই নিয়ম অনুসরণের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন