মে ৩১, ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বাংলাদেশ—এই দুটি শব্দ মূলত একটি অন্যটির সাথে সম্পূর্ণ অবিচ্ছেদ্য নাম বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন।
মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে এই বৃহৎ আলোচনা সভার আয়োজন করে।মির্জা ফখরুল তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের গভীর যোগসূত্রটি নিখুঁতভাবে তুলে ধরেন।
তিনি সুনির্দিষ্টভাবে বলেন যে শহীদ জিয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মধ্য দিয়েই মূলত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল এবং সেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পায়।
পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার সফল বিপ্লবের মধ্য দিয়ে এ দেশের আপামর সাধারণ মানুষ শহীদ জিয়াকে পুনরায় দেশ গঠনের এক গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছিল। প্রথমটি ছিল সরাসরি দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং দ্বিতীয়টি ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত এক ভঙ্গুর দেশ বিনির্মাণের মূল ঐতিহাসিক দায়িত্ব।স্মরণসভায় বিএনপি মহাসচিব শহীদ রাষ্ট্রপতির দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নানামুখী সংস্কার কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন।
বর্তমান দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে আজকাল একটি সুনির্দিষ্ট political শক্তি কেবল সংস্কারের নামে চারদিকে চিৎকার করে বেড়াচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে বাংলাদেশে যেকোনো ধরনের আধুনিক ও মৌলিক সংস্কারের প্রকৃত জন্মদাতা ও প্রবক্তা হচ্ছে একমাত্র বিএনপি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তৎকালীন একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন, যা ছিল একটি অত্যন্ত যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক সংস্কার।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন