শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬,

গোনাহ হলে করণীয়: মহানবী (সা.)-এর নির্দেশনা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ১০, ২০২৫, ১১:১৫ এএম

গোনাহ হলে করণীয়: মহানবী (সা.)-এর নির্দেশনা

এই হাদিসটি ইমানদার বান্দার জন্য এক গভীর আশার বার্তা বহন করে। এতে মহানবী (সা.) পাপের পর তাওবা ও ইস্তিগফারের দরজা মহান আল্লাহ তাআলা কতটা প্রশস্ত রেখেছেন, তা সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন।হযরত আলী (রা.) সূত্রে বর্ণিত, হযরত আবু বকর (রা.) (যিনি সত্যই বলেছেন।

 তাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনযখন কোনো বান্দা কোনরূপ গুনাহ করার পর উত্তমরূপে অযু করে দাঁড়িয়ে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করে এবং আল্লাহর নিকট গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে, নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন।

আবু বকর (রা.) সূত্রে বর্ণিত)এই হাদিসের প্রমাণ হিসেবে হযরত আলী (রা.) পবিত্র কুরআনের এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেন: "এবং যখন তারা কোনো অন্যায় কাজ করে কিংবা নিজেদের উপর অত্যাচার করে....." (সূরাহ আলে ‘ইমরান এই হাদিস থেকে বান্দার জন্য পাপের পর আল্লাহর দিকে ফিরে আসার সুস্পষ্ট পথ পাওয়া যায়, যা "সালাতুত তাওবা" বা তাওবার নামাজ নামে পরিচিত।

অনুতাপ: পাপের জন্য আন্তরিকভাবে লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া। উত্তম অযু: উত্তমরূপে অজু করা। সালাত আদায়: দুই রাক’আত নামাজ (সালাত) আদায় করা।ইস্তিগফার: নামাজের পর আল্লাহর নিকট গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা।মহানবী (সা.) শিখিয়েছেন যে, এই আন্তরিক অনুতাপ ও আমল করলে আল্লাহ তাআলা সেই বান্দার গুনাহ ক্ষমা করে দেন। এই আমল নিছক একটি আচার নয়, বরং আল্লাহর রহমত ও নবুয়তী বরকতের সঙ্গে যুক্ত একটি আধ্যাত্মিক সুরক্ষা।

হাদিসের শুরুতে হযরত আলী (রা.)-এর বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, সাহাবায়ে কিরাম (রা.) হাদিস গ্রহণে কতটা সতর্ক ও সত্যনিষ্ঠ ছিলেন। তিনি সরাসরি রাসূল (সা.) থেকে না শুনলে অন্য সাহাবীর কাছ থেকে হাদিসের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য শপথ করাতেন, যা হাদিস গ্রহণে তাঁদের আমানতদারিত্ব প্রমাণ করে।