শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬,

হালাল-হারামের সীমারেখা ও নিরুপায় অবস্থায় আল্লাহর ছাড়

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ১০, ২০২৫, ১২:১৮ পিএম

হালাল-হারামের সীমারেখা ও নিরুপায় অবস্থায় আল্লাহর ছাড়

বিত্র কোরআনুল কারিমের সূরা আনআমের ১১৯ নম্বর আয়াতটি মুমিনদের জন্য হালাল-হারামের সীমারেখা নির্ধারণ করেছে। একই সঙ্গে আল্লাহ তাআলা বিশেষ এক পরিস্থিতিতে তাঁর বান্দাদের জন্য ছাড় বা সুযোগ রেখেছেন।পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

  আর তোমাদের কি হয়েছে যে, যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে তোমরা তা থেকে খাবে না? যা তোমাদের জন্য তিনি হারাম করেছেন তা তিনি বিশদভাবেই তোমাদের কাছে বিবৃত করেছেন, তবে তোমরা নিরুপায় হলে তা স্বতন্ত্র। আর নিশ্চয় অনেকে অজ্ঞতাবশত নিজেদের খেয়াল-খুশী দ্বারা অন্যকে বিপথগামী করে।

নিশ্চয় আপনার রব সীমালংঘনকারীদের সম্বন্ধে অধিক জানেন।আল্লাহ তাআলা এই আয়াতে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনটি হারাম আর কোনটি হালাল, তার বিশদ বিবরণ তিনি তাঁর বান্দাদের দিয়েছেন। হারাম বস্তুর বিস্তারিত বর্ণনা অন্য আয়াতে (যেমন সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত : ৩)-এ এসেছে।

নিরুপায় অবস্থার ছাড় (ا আয়াতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো— "তবে তোমরা নিরুপায় হলে তা স্বতন্ত্র।"এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, উপরোক্ত হারামকৃত বস্তুসমূহও বান্দাদের অপারগ অবস্থায় খাওয়ার অনুমতি রয়েছে।যেমন, কেউ ক্ষুধার তাড়নায় কাতর হয়ে হালাল বস্তু না পেলে নিরুপায় অবস্থায় তার জন্য মৃত জন্তুও খাওয়ার বিধান দেওয়া হয়েছে। (আত-তাফসিরুস সাদী)

এই বিধানটি এই মূলনীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যে, "কেউ পাপের দিকে না ঝুঁকে ক্ষুধার তাড়নায় বাধ্য হলে তবে নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" (সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত : ৩)এই আয়াতটি প্রমাণ করে, আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দার জীবন সুরক্ষার জন্য কঠিন অবস্থায়ও বিধানকে সহজ করে দেন।