ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১০:১৪ এএম
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আবারও আমাদের দ্বারে কড়া নাড়ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মুমিন বান্দার জন্য এক বিশাল নিয়ামত ও আত্মশুদ্ধির সুবর্ণ সুযোগ। এই মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ রাখা হয় এবং শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।" তাই এই পবিত্র মাসে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে আমাদের মানসিকভাবে ও আমলগতভাবে প্রস্তুত হতে হবে।
রমজানের হক আদায়ে পাঁচটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা জরুরি: ১. ইখলাসের সঙ্গে রোজা রাখা, ২. রাতে কিয়ামুল লাইল বা তারাবি আদায় করা, ৩. শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ ও ইতেকাফ করা, ৪. সামর্থ্য অনুযায়ী দান-সদকা করা এবং ৫. বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করা।
জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই, তাই এই রমজানকেই জীবনের শেষ সুযোগ বা `গনিমত` মনে করে আল্লাহর আনুগত্যে নিজেকে সঁপে দেওয়া উচিত।দুর্ভাগ্যবশত আমরা অনেকেই এই মূল্যবান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া বা অহেতুক কাজে সময় নষ্ট করি, যা মোটেও কাম্য নয়। আমাদের উচিত মৃত আত্মীয়-স্বজন ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে বেশি বেশি দোয়া করা। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সুস্থতার সঙ্গে রমজানের হক আদায়ের তৌফিক দান করেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন