আগস্ট ২৪, ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
বর্তমান সময়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কাছে ইউটিউব ও ফেসবুক আয়ের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠলেও এই আয় ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী হালাল কি না, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে। এই বিষয়ে সুস্পষ্ট ফতোয়া ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার মুফতি আলী হাসান উসামা। তিনি জানিয়েছেন, ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে যেকোনো আয়ের বৈধতা নির্ভর করে তার উৎসের ওপর।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর আয়ের মূল ভিত্তি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন, যার ওপর কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নিজস্ব কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না।মুফতি উসামা জানান, ইউটিউব বা ফেসবুকের কনটেন্টের মাঝখানে এমন অনেক বিজ্ঞাপন চলে আসে, যা ইসলামি নিয়মনীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এর মধ্যে অবৈধ পণ্য, নারীদেহের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রদর্শন কিংবা বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার থাকতে পারে।
সরাসরি কোনো অন্যায় কাজে লিপ্ত না হলেও হারামের প্রচারকারী হিসেবে একজন ক্রিয়েটর এর দায়ভার এড়াতে পারেন না। যেহেতু হালাল ও হারাম আয় আলাদা করার সুনির্দিষ্ট কোনো উপায় এখানে নেই, তাই এই ধরনের মিশ্রিত আয়ের পথ থেকে বিরত থাকাই একজন ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য উত্তম বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে এই ইসলামি স্কলার বলেন, যা কিছু মানুষের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করে, তা বর্জন করে সন্দেহমুক্ত পথ অবলম্বন করাই শ্রেয়। মানুষের রিজিক মহান আল্লাহর হাতে নির্ধারিত থাকে এবং সন্দেহজনক সামান্য কিছু টাকা উপার্জন থেকে বিরত থাকলে কারও রিজিক আটকে থাকে না বলে তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন