মে ২২, ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের দায়িত্ব নিয়ে এক বছরে বাংলাদেশকে যেখানে দেখতে চান তা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন নতুন প্রধান কোচ টমাস ডুলি। শুক্রবার ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে নিজের ফুটবল দর্শন, দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ও খেলোয়াড়দের পেশাদার মানসিকতা পরিবর্তনের বিষয়ে কথা বলেন এই জার্মান কোচ।তিনি দর্শকদের প্রত্যাশার চাপ ও ফুটবলীয় সমালোচনা মোকাবিলা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
ডুলি জানান, ফিলিপাইন বা মালয়েশিয়ায় কাজ করার সময় এ অঞ্চলের মানুষের ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা তিনি লক্ষ্য করেছেন। বাংলাদেশে কোটি কোচের অভাব নেই এবং সবাই খেলা বোঝেন যা ফুটবল সংস্কৃতির জন্য ইতিবাচক। তবে গত ২৩ বছরে বড় কিছু না জেতা দলটিকে নিয়ে এবার বাস্তববাদী লক্ষ্য নির্ধারণ করা জরুরি। বলের পেছনে অনর্থক না দৌড়ে মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে সুন্দর ফুটবল খেলা ও দর্শকদের আকর্ষণ বাড়ানোই তার প্রথম কৌশল।খেলোয়াড়দের মধ্যে সফল হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ও ত্যাগের মানসিকতা তৈরি করতে চান তিনি।
সাফল্যের জন্য জীবনের কিছু জিনিস ত্যাগ করার মানসিকতা ফুটবলারদের মাথায় ঢোকাতে হবে। ফিফা র্যাঙ্কিং ১৬০ বা ১৫০-এর মধ্যে নিয়ে আসাই তার প্রধান লক্ষ্য, তবে এটি রাতারাতি ঘটবে না। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং ফুটবলীয় চিন্তাভাবনার ধরন বদলাতে পারলে এক বছরের মধ্যে এই বাস্তবসম্মত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। নিজের লেখা বইয়ের সূত্র ধরে তিনি জানান, সাফল্যের চারটি প্রধান স্তম্ভের মধ্যে প্রথম ও প্রধান বিষয় হলো সঠিক মানসিকতা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশি সমর্থকদের ফলোয়ার ও বিপুল সাড়া নিয়ে রসিকতা করতেও ভোলেননি ডুলি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ থেকে তার ১০ লাখের বেশি বন্ধু হয়ে গেছে বলে তিনি জানান। সমর্থকদের এই প্যাশন ও উদ্দীপনাকে মাঠের পারফরম্যান্সে রূপান্তর করতে বাফুফের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন নতুন এই কোচ।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন