বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

শিকড়ের টানে বিশ্বমঞ্চে ২৮৯ ফুটবলার

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ৫, ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

শিকড়ের টানে বিশ্বমঞ্চে ২৮৯ ফুটবলার

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন মোট এক হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড়। এর মধ্যে ২৮৯ জন ফুটবলার খেলছেন তাদের জন্মভূমির বাইরে অন্য দেশের হয়ে। অর্থাৎ মোট খেলোয়াড়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশই বেড়ে ওঠার দেশ বা পূর্বপুরুষের দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।ফুটবলারদের শিকড়ের টানে এই দেশান্তর স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

কুরাসাও দলটির স্কোয়াড সবচেয়ে ভিন্ন। ২৬ জনের মধ্যে ২৫ জনেরই জন্ম নেদারল্যান্ডসে। একমাত্র তাহিথ চংয়ের জন্ম কুরাসাওয়ে। নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণেই ডাচ ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড়রা এই সুযোগ পাচ্ছেন।

আফ্রিকার দেশগুলোতে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।ইউরোপের উন্নত দেশে বেড়ে ওঠা খেলোয়াড়রা বাবা-মায়ের দেশের হয়ে খেলছেন। ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর স্কোয়াডের ২০ জন, মরক্কোর ১৯ জন, বসনিয়ার ১৭ জন এবং হাইতি ও আলজেরিয়ার ১৬ জন খেলোয়াড়ের জন্ম নিজ দেশের সীমানার বাইরে। 

ইউরোপীয় ফুটবলের প্রশিক্ষণ তারা এই দেশগুলোর ফুটবলে কাজে লাগাচ্ছেন।আর্জেন্টিনা দলেও এই বৈশ্বিক হাওয়ার প্রভাব স্পষ্ট।দিয়েগো সিমিওনে ও পাবলো পাজের সন্তান জুলিয়ানো সিমিওনে ও নিকো পাসের জন্ম ইউরোপে, তারা বাবার দেশ আর্জেন্টিনার হয়ে খেলছেন। অন্যদিকে আর্জেন্টিনায় জন্ম নিয়েও অন্য দেশের হয়ে খেলছেন অনেকে। 

মেক্সিকোর সান্তিয়াগো হিমেনেজ, প্যারাগুয়ের হুয়ান হোসে কাসেরেস, আলেহান্দ্রো গামারো, আদ্রিয়ান কুবাস, ইকুয়েডরের হার্নান গালিন্দেজ এবং উরুগুয়ের ফার্নান্দো মুসলেরার জন্ম আর্জেন্টিনার মাটিতে।বিশ্লেষকদের মতে, নাগরিকত্ব যেখানেই হোক, ফুটবলারদের মনে শিকড়ের টান প্রবল। ইউরোপীয় ফুটবলের আধুনিক কৌশল শিখে এই খেলোয়াড়রা যখন এশিয়া, আফ্রিকা বা লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে খেলছেন, তখন বিশ্ব ফুটবলের সামগ্রিক মান উন্নত হচ্ছে। ২৮৯ জন খেলোয়াড় এখন আধুনিক ফুটবলের বৈশ্বিক সংস্কৃতির প্রতিনিধি।