বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬,

মেসিকে টপকে চ্যাম্পিয়নস লিগে হ্যারি কেইনের নতুন ইতিহাস

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ১৪, ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম

মেসিকে টপকে চ্যাম্পিয়নস লিগে হ্যারি কেইনের নতুন ইতিহাস

ছবি: সংগৃহীত

নরওয়ের ক্লাব ভাইকিংয়ের বিপক্ষে নাটকীয় ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়লেও ব্যক্তিগত অর্জনে ইউরোপিয়ান ফুটবলে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। মঙ্গলবার রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ভাইকিংয়ের সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করেছে বায়ার্ন মিউনিখ।

ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করার মধ্য দিয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগে ৩০ বছর বয়সের পর সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে যান কেইন। বর্তমানে ৩৩ বছর বয়সী এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড ৩০ পেরিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৪০টি ম্যাচ খেলে মোট ৩৬টি গোল করেছেন। একই বয়সসীমায় সাবেক বার্সেলোনা তারকা লিওনেল মেসি ৪৮ ম্যাচে করেছিলেন ৩৫ গোল।

মেসিকে টপকে গেলেও এই বিশেষ তালিকায় কেইনের সামনে এখনো রয়েছেন বিশ্ব ফুটবলের তিন কিংবদন্তি।

বয়স ৩০ বছর পার হওয়ার পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফরাসি স্ট্রাইকার করিম বেনজেমার গোল রয়েছে ৩৭টি, রবার্ট লেভানডোভস্কির ঝুলিতে রয়েছে ৬৪ গোল এবং তালিকার শীর্ষে আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, যাঁর গোলসংখ্যা ৬৮। বর্তমান খেলার ছন্দ বজায় রাখতে পারলে দ্রুতই হয়তো বেনজেমাকে পেছনে ফেলতে সক্ষম হবেন কেইন। তবে লেভানডোভস্কি ও রোনালদোকে অতিক্রম করা তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এদিকে চ্যাম্পিয়নস লিগের মঞ্চে টানা নবম ম্যাচে গোল করে অনন্য ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন কেইন।

টানা নয় ম্যাচে গোল করার এই কীর্তি এর আগে কেবল রবার্ট লেভানডোভস্কি ও রুদ ফন নিষ্টলরয়ের দখলে ছিল। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ১১ ম্যাচে গোল করে সর্বকালের সেরা রেকর্ডটি এখনো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দখলে রয়েছে। সেই রেকর্ড স্পর্শ করতে হলে কেইনকে আগামী দুই ম্যাচে জালের দেখা পেতে হবে, আর এককভাবে রেকর্ডটি নিজের করতে হলে গোল করতে হবে টানা তিনটি ম্যাচে।

বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের আঙিনায় ধারাবাহিক পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে চলেছেন ইংলিশ তারকা। গত মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখ ও ইংল্যান্ড জাতীয় দল মিলিয়ে ৬৫ ম্যাচে ৭৩টি গোল করেন তিনি। সেই সঙ্গে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপের শিরোপা জয়ের পাশাপাশি বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনালে পৌঁছে দিতে নেতৃত্ব দেন।

চলতি মৌসুমেও নিজের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন এই স্ট্রাইকার, যেখানে ৯ ম্যাচে তিনি ইতিমধ্যেই আটটি গোল করে ফেলেছেন। মাঠে এমন অনবদ্য পারফরম্যান্স তাঁকে ফুটবল বিশ্বের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্বীকৃতি ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।