জুন ২৯, ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে নীলফামারীর সৈয়দপুরে সর্বোচ্চ ১৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে বর্ষার এই ভারী বর্ষণ জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি আনলেও কিছু নিচু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে।
আবহাওয়ার এই বৈরী পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন ধরে দেশজুড়ে অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে।অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নীলফামারীর সৈয়দপুরের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে। এছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৯৯, নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৮৬ এবং পটুয়াখালীতে ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত নথিবদ্ধ করা হয়েছে।
উত্তরাঞ্চলের অন্যতম প্রধান শহর বগুড়ায় ৬৮, রংপুরে ৬০ এবং দিনাজপুরে ৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেন আবহাওয়াবিদরা। পটুয়াখালীর খেপুপাড়া ও কলাপাড়ায় ৫৩, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ৫২, লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ৪৭ এবং ফেনীতে ৩৯ মিলিমিটার বর্ষণ হয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে মানিকগঞ্জের আরিচা ও শিবালয়ে ৩৭, নীলফামারীর ডিমলায় ৩৩, কক্সবাজারে ৩১ এবং গোপালগঞ্জে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ভারী এই বর্ষণের রেশ কাটতে না কাটতেই সাগরে নতুন একটি লঘুচাপের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ২ থেকে ৩ জুলাইয়ের মধ্যে উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে সতর্ক করা হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকা বেশ উত্তাল হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে এবং এই উত্তাল পরিস্থিতি পরবর্তী ৫ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। লঘুচাপের সরাসরি প্রভাবে আগামী ৫ ও ৬ জুলাই থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন