শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে সাফল্য: ফরিদপুরের শাহিদা এখন একশ‍‍` মানুষের কর্মসংস্থান

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ৮, ২০২৫, ০৬:৪০ পিএম

পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে সাফল্য: ফরিদপুরের শাহিদা এখন একশ‍‍` মানুষের কর্মসংস্থান

আজকের কৃষি সংবাদে ফরিদপুর, খুলনা এবং ভোলা অঞ্চলের কৃষি উদ্যোক্তাদের সাফল্য ও নীতিগত পদক্ষেপের কথা উঠে এসেছে। ফরিদপুর জেলার অম্বিকাপুরের শাহিদা বেগম ২০০৪ সালে বাড়ির উঠোন থেকে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন শুরু করে আজ তা শিল্প পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন।

বর্তমানে তার এই উদ্যোগ উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এবং বছরে ৩০ থেকে ৩৫ টনেরও বেশি পেঁয়াজ বীজ উৎপাদিত হচ্ছে। এই প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেটজাতকরণে তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে একশ’রও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

বাইশ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানান, পরিশ্রম ও একাগ্রতা থাকলে নারীরাও দেশের কৃষি উন্নয়নের পথপ্রদর্শক হতে পারে এবং তার এই তিলে তিলে গড়ে তোলা বীজ শিল্পকে বিশ্ববাজারের সাথে যুক্ত করতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। এদিকে, খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ডিহিবোড়া গ্রামে খালের দু'পারের পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে সমন্বিত কৃষি খামার।

৩৩ একর আয়তনের এই খামারে উদ্যোক্তা বিধান মন্ডল দেশী-বিদেশী ১৭৩ প্রজাতির ফল ও সবজি চাষ করছেন এবং চলতি মৌসুমে কোটি টাকার ফসল বিক্রির আশা করছেন, যেখানে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা। ডাঙ্গা এবং নিচে মাছ চাষের এই সমন্বিত খামারটি স্থানীয় ৪০ থেকে ৪৫ জন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয় কৃষি বিভাগ এই সাফল্যকে উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছে। বক্তারা মনে করেন, একজন কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি করে তার নিজের আয়ের পাশাপাশি আরও ১৫-২০ জন শ্রমিককে চাকরির মতো বেতন দিয়ে যাওয়ার এই বিষয়টি রাষ্ট্রীয়ভাবে নিরাপদ সবজি পাওয়ার সুযোগও তৈরি করছে। অন্যদিকে, ভোলার তরমুজকে জাতীয়ভাবে ব্র্যান্ডিং করা এবং এর ভ্যালু চেইন উন্নয়নে বহুপাক্ষিক অংশীজনদের নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এসএসিপি প্রকল্পের উপ প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ আবু সিয়াম জুলকারনাইন সহ অন্যান্য বক্তারা বলেন, ভোলা দেশের অন্যতম তরমুজ উৎপাদন অঞ্চল হলেও দুর্বল বাজার কাঠামোর কারণে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। তাই, উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত একটি কার্যকর ভ্যালু চেইন গড়ে তোলা গেলে কৃষকের আয় বাড়বে এবং মানসম্মত তরমুজ বাজারজাত করা সহজ হবে।