বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

আহসান মঞ্জিলে ডিএসসিসির বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উদযাপিত

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম

আহসান মঞ্জিলে ডিএসসিসির বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উদযাপিত

আহসান মঞ্জিলে ডিএসসিসির বর্ষবরণ

ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিল প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলা নতুন বছর ১৪৩৩-কে বরণ করে নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে লোকজ সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের এক অপূর্ব মিলনমেলা লক্ষ্য করা গেছে। 

জাঁকজমকপূর্ণ এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।আহসান মঞ্জিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থানে নববর্ষ উদযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রশাসক বলেন, ঢাকা শহরের এক গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। 

বর্তমান প্রজন্মের কাছে সেই ঐতিহ্য ও শিকড়ের কথা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই নান্দনিক উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি মনে করেন, আধুনিকতার সঙ্গে যদি আমাদের ঐতিহ্যের মেলবন্ধন না ঘটে, তবে বাঙালি সংস্কৃতি পূর্ণতা পাবে না। 

নতুন প্রজন্মকে তাদের নিজস্ব কৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধাশীল করতে এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তিনি।সিটি করপোরেশনের সেবার মান ও দায়বদ্ধতা নিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, ডিএসসিসির প্রতিটি কাজ মূলত ২৪ ঘণ্টার একটি নিরবচ্ছিন্ন সেবা। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন স্পিরিট ও জনসেবার চাপের কারণে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের অনেক সময় সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কাজ করতে হচ্ছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। সরকার নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে যে গতিশীলতা নিশ্চিত করতে চায়, ডিএসসিসি তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তার পাশাপাশি নগরবাসীর জন্য ডিএসসিসির ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনাও ব্যক্ত করেন প্রশাসক। তিনি জানান, আসন্ন দিনগুলোতে মশক নিয়ন্ত্রণ, উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতা নিরসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে দ্রুত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ওপরও বিশেষ জোর দেন তিনি।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব চলে দুপুর পর্যন্ত, যা সাধারণ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। ডিএসসিসি পরিচালিত ১২টি সংগীত বিদ্যালয়ের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে মনমুগ্ধকর গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন। লোকজ সুর আর বৈশাখী আমেজে আহসান মঞ্জিল প্রাঙ্গণ যেন এক টুকরো বাঙালিয়ানার মোহনায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক নগরবাসী উপস্থিত ছিলেন।