বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

হিলি সীমান্তে চামড়া পাচার রোধে বিজিবির কঠোর নজরদারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুন ১, ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম

হিলি সীমান্তে চামড়া পাচার রোধে বিজিবির কঠোর নজরদারি

ছবি-দিনাজপুর টিভি

পবিত্র ঈদুল আজহা পরবর্তী কোরবানির পশুর চামড়া কোনোভাবেই যাতে অবৈধ উপায়ে ভারতে পাচার হতে না পারে, সেই লক্ষ্যে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে কঠোর নজরদারি শুরু করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অন্যদিকে চামড়ার কাঙ্ক্ষিত দাম না থাকায় বিশেষ করে ছাগলের চামড়া গ্রামগঞ্জে মাটিতে পুঁতে রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল লতিফুল বারী।তিনি জানান, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই কিছু অসাধু চক্র সীমান্ত দিয়ে পশুর চামড়া পাচারের চেষ্টা চালায়। 

এ ধরনের অপতৎপরতা রোধে বিজিবি ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে কোরবানির পশুর চামড়া অবৈধভাবে ভারতে পাচার ঠেকাতে সীমান্তের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজের আগে মুসল্লিদের মাঝে সীমান্ত আইন ও অবৈধ পারাপারের ঝুঁকি সম্পর্কে অবহিত করা হচ্ছে। এছাড়া সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হচ্ছে। চামড়া ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও পৃথকভাবে আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। বৈধ উপায়ে চামড়া সংগ্রহ ও বিপণনের বিষয়ে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং কোনোভাবেই যাতে চামড়া সীমান্ত দিয়ে পাচার না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।

জয়পুরহাট ২০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল লতিফুল বারী বলেন, সীমান্তে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে এবং চামড়া পাচারের কোনো সুযোগ যাতে সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আমরা আশা করছি, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় সীমান্তেপরিবেশ বা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে এবং অবৈধ চামড়া পাচার সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। তিনি সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের আইন মেনে চলার পাশাপাশি যেকোনো সন্দেহজনক কার্যক্রমের তথ্য দ্রুত বিজিবিকে জানানোর আহ্বান জানান।