মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৯:৪০ এএম
দেশের বাজারে সবশেষ সমন্বয়ের পর মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ২৮ মার্চ বিকেল ৪টায় নির্ধারিত নতুন যে দর ঘোষণা করেছিল, মঙ্গলবার অর্থাৎ ৩১ মার্চ সেই দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায়। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা।
১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকায়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং দেশীয় বাজারের চাহিদা ও সরবরাহ পর্যবেক্ষণ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার বাজারেও কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ২৯ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ বার দাম বাড়ানো এবং ১৩ বার কমানো হয়েছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ লাখ ৩২৪ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।
স্বর্ণের দামের এই ঘনঘন পরিবর্তন নিয়ে বাজারের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই এখন পর্যন্ত মোট ৪৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ২৮ বার এবং কমানো হয়েছে ২১ বার। অন্যদিকে ২০২৫ সালে সারা বছরে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানোর নজির ছিল। বাজুস সাধারণ ক্রেতাদের সর্বশেষ নির্ধারিত এই মূল্যের ভিত্তিতেই লেনদেন করার আহ্বান জানিয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন