মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

এসএসসি ২০২৬: পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি ১৪ নির্দেশনা জারি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম

এসএসসি ২০২৬: পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি ১৪ নির্দেশনা জারি

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি ঘোষণা করেছে শিক্ষা বোর্ড। প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হবে যা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। মঙ্গলবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এই সময়সূচি প্রকাশের পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি ১৪টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। 

এসব নির্দেশনা অমান্য করলে পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে।প্রকাশিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে সব পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই নিজ নিজ পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। 

প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। 

এই দুই ধরণের পরীক্ষার মাঝখানে কোনো বিরতি দেওয়া হবে না। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিশেষ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে।শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করবে। 

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল, রেজিস্ট্রেশন ও বিষয় কোড লেখার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। ওএমআর শিট কোনোভাবেই ভাঁজ করা যাবে না। এছাড়া প্রতিটি অংশ অর্থাৎ সৃজনশীল, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। নিবন্ধনপত্রে উল্লিখিত বিষয়ের বাইরে অন্য কোনো বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।বোর্ডের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে পরীক্ষার্থীরা সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারলেও কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন কেন্দ্রে আনতে পারবেন না। 

ব্যবহারিক পরীক্ষাগুলো পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ থাকবে। রুটিন ও নির্দেশনাগুলো প্রতিটি শিক্ষার্থীকে গভীরভাবে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও বোর্ড কর্মকর্তারা যাতে পরীক্ষার সময় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়। বর্তমান রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষার্থীরা প্রায় এক মাস ব্যাপী এই বড় পরীক্ষায় অংশ নেবেন।