আগস্ট ২৬, ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের পেশাগত দাবি ও সুবিধার কথা বিবেচনা করে অনলাইনভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনায় বদলি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শিক্ষা খাতের এই নতুন ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষকদের ভোগান্তি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।
বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোতে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে চলমান বদলি আবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা আগামী কাল বৃহস্পতিবার শেষ হতে যাচ্ছে।বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বা মাউশি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় বারো হাজার শিক্ষক সফলভাবে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করেছেন। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই আবেদনের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে বর্তমান নীতিমালা ও সফটওয়্যারের কিছু শর্ত পূরণ করতে না পেরে অনেক শিক্ষক আবেদন করতে সমস্যায় পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের একাংশের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হলেও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বর্তমান পর্যায়ে নীতিমালা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানের তৈরি নীতিমালা ও সফটওয়্যারের শর্ত অনুযায়ীই প্রার্থীরা আবেদন করছেন এবং যারা শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন তারা আবেদন করতে পারছেন না।
এটি প্রথমবার সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় কিছু কারিগরি সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে যা আগামীতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে কাজ করে যাচ্ছে মাউশি।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন