ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১১:২৪ এএম
বাংলাদেশের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করার আশঙ্কা থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের উচ্চপর্যায়ের সূত্র অনুযায়ী, জুলাই বিপ্লবে সম্মুখসারিতে থাকা বেশ কয়েকজনকে ইতোমধ্যে গানম্যান প্রদান করা হয়েছে এবং তাদের ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এই তালিকায় রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এবং মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য ডিএমপির কাছে আবেদন করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রধান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ গানম্যান চেয়েছেন।
এছাড়া গানম্যান ও অস্ত্রের লাইসেন্স পাচ্ছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিএনপির সংসদ-সদস্য প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন, জাফির তুহিন, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এবং সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুসহ আরও বেশ কয়েকজন।বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির পরিবারকেও সরকারি নিরাপত্তার আওতায় আনা হচ্ছে। হাদির এক বোনকে গানম্যানসহ অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, যারা আবেদন করেছেন এবং যাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বেশি, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সকল আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন