ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিধিনিষেধ সংশোধন করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার বিকেলে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন যে ভোটার, প্রার্থী এবং পোলিং এজেন্টরা এখন থেকে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে ভোট দেওয়ার জন্য নির্ধারিত গোপন কক্ষে কোনোভাবেই মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।
একইসাথে গোপন কক্ষের ভেতরে কোনো ধরনের ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ করাও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সচিব জানান যে ইতিপূর্বে জারি করা ৪০০ গজের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার পর এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশি ও বিদেশি প্রতিনিধিদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইসি সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক ইতিমধ্যে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন।
এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে সর্বোচ্চ ২২৩ জন, কমনওয়েলথ থেকে ২৫ জন এবং আইআরআই থেকে ১২ জন প্রতিনিধি রয়েছেন। এছাড়া আল জাজিরা, রয়টার্স, ডয়চে ভেলে এবং এপির মতো বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সংবাদ সংগ্রহের জন্য উপস্থিত আছেন। তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও জর্জিয়া থেকেও সাংবাদিকরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন আরও ৬০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।নির্বাচন সচিব আখতার আহমেদ স্পষ্ট করেছেন যে মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম এখনও ফিল্টার করা হচ্ছে।
ভোটাররা কেন্দ্রের সাধারণ এলাকায় মোবাইল ব্যবহার বা ছবি তুলতে পারলেও ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা তাদের প্রধান দায়িত্ব হবে। কোনো ভোটার যদি গোপন কক্ষে মোবাইল নিয়ে ধরা পড়েন তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটদানের এই উৎসবে তথ্য প্রবাহ সচল রাখতেই মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানো হয়েছে বলে কমিশন মনে করছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন