সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬,

যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৩:১১ পিএম

যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

মন্ত্রণালয়ে শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা কারিকুলাম পর্যালোচনা করে দেশে একটি যুগোপযোগী ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম পরিচিতি সভা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে কেবল ছোটখাটো পরিবর্তন নয়, বরং বড় ধরণের সংস্কার প্রয়োজন। তিনি শিক্ষার এই রূপান্তরকে একটি বিশেষ উপমায় তুলে ধরে বলেন, শিক্ষায় এখন হাই জাম্প নয়, বরং মোর মোর জাম্প দিতে হবে।

সচিবালয়ে নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবসে বেলা ১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছান মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এ সময় মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা তাঁদের ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। 

দায়িত্ব গ্রহণের পর মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনায় তারা কাজ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা অনুরাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি দক্ষ ও শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে কাজ করবে।মতবিনিময় সভায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে যে সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তার একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষার উন্নয়ন। 

দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে সংস্কার ও নতুন করে ঢেলে সাজানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান যে, মন্ত্রণালয়ের দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সম্মিলিতভাবে এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করবেন।সচিবালয়ে আজ দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর আগমনে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। 

কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে মন্ত্রীরা তাঁদের দাপ্তরিক ফাইল পর্যালোচনা করেন এবং মন্ত্রণালয়ের বর্তমান প্রকল্পগুলোর অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন। নতুন এই নেতৃত্বের অধীনে দেশের ঝিমিয়ে পড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। দ্রুতই কারিকুলাম রিভিউ কমিটির মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও মন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন।