এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য বিদেশ সফরের বিষয়ে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্য ও খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। বুধবার ৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌল্লা (সুজন মাহমুদ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে সুজন মাহমুদ উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য বিদেশ সফরের দিন, তারিখ কিংবা কোনো ধরনের সময়সূচি এখনও পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়নি।
এমনকি তিনি প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে কোন দেশে যাবেন, সেই বিষয়টিও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি বলে দাপ্তরিকভাবে জানানো হয়েছে।এর আগে বেশ কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু অনলাইন পোর্টালে দাবি করা হচ্ছিল যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে প্রতিবেশী দেশ ভারত যাচ্ছেন।
এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়। অনেকে নির্দিষ্ট তারিখ ও সূচি উল্লেখ করেও বিভিন্ন পোস্ট করতে শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় মনে করছে, এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য জনমনে ভুল বার্তা দিচ্ছে।উপ-প্রেস সচিব সুজন মাহমুদ তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেভাবে নির্দিষ্ট দিন-ক্ষণ প্রচার করা হচ্ছে তা কেবলই জল্পনা-কল্পনা।
রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সফরের বিষয়গুলো সবসময় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জানানো হয়। তাই সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের ভিত্তিহীন খবরে বিভ্রান্ত না হওয়ার এবং কোনো গুজবে কান না দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য যে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই সফরের গুরুত্ব অনেক। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সফরের পরিকল্পনা ও সূচি চূড়ান্ত হওয়া মাত্রই তা যথাযথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশবাসীকে জানানো হবে।
বর্তমানে অনলাইনে তথ্যের অবাধ প্রবাহের যুগে যাচাই না করে কোনো তথ্য প্রচার না করার জন্য নেটিজেনদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তথ্য সংশ্লিষ্ট মহল। রাষ্ট্রীয় অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সফর সংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্বশীল সূত্র ছাড়া কোনো তথ্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই স্পষ্টীকরণ আসার পর সফর কেন্দ্রিক অপপ্রচারে ইতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন