মে ১৯, ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বাহিনীর সর্বস্তরের সদস্য, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল বুধবার ২০ মে ২০২৬ তারিখে এই বাহিনীটির ৪৬তম বার্ষিক সমাবেশ দেশজুড়ে উদযাপিত হতে যাচ্ছে।
এই বিশেষ গৌরবময় দিনটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার ১৯ মে এক সরকারি বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই অভিনন্দন বার্তা প্রদান করেন।তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ আত্মোৎসর্গকারী এই সুশৃঙ্খল বাহিনীর ৬৭০ জন শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
দেশের যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে এবং অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এই বাহিনীর সদস্যদের সময়োপযোগী ভূমিকার কথা বাণীতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশজুড়ে সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে।
দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশ এখন সদ্বিচ্ছায় গণতন্ত্রের পথে নতুন করে যাত্রা শুরু করেছে। রাষ্ট্রে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে এবং একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার এই দীর্ঘ যাত্রাপথে আনসার-ভিডিপির গুরুত্ব অনেক।স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন যে গণপ্রতিরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের এই বাহিনীর সঙ্গে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন রয়েছে।
বর্তমানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা রক্ষায় ৫২ হাজারের বেশি অঙ্গীভূত আনসার সদস্য রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের যুবসমাজকে নিছক সাধারণ জনশক্তি হিসেবে না দেখে তাদের সুনির্দিষ্ট চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে এই বাহিনীর পদক্ষেপসমূহ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বাহিনীর সর্বমোট ৬০ লাখ গর্বিত সদস্যের সাহস ও নিষ্ঠা আগামী দিনের পাথেয় হবে বলে প্রধানমন্ত্রী বাণীতে গভীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন