মে ২৫, ২০২৬, ১০:২৩ এএম
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক মো. ওহিদুজ্জামান রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেন।
বিচারিক কার্যক্রমের জন্য মামলাটি এখন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়েছে।প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অপরাধে সহযোগিতার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানানো হয়, ঘটনার দিন সকালে রামিসা ঘর থেকে বের হলে সোহেল তাকে নিজের রুমে ডেকে নেয়।
সেখানে তাকে বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় এবং চিৎকারের শব্দ পেয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।হত্যাকাণ্ড আড়াল করতে শরীরের বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়।সোহেল মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে রামিসার মাথা ও দুই হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং আলামত হিসেবে ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। এরপর বিচ্ছিন্ন মাথা একটি বালতির ভেতর এবং দেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।
প্রতিবেশীরা দরজায় ডাক দিলে সোহেল কৌশলে পালিয়ে যায় এবং স্ত্রী স্বপ্না তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।পুলিশ ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় এই স্পর্শকাতর মামলার চার্জশিট জমা দিলো।গত ১৯ মে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পরপরই স্বপ্না আক্তারকে পুলিশ আটক করে এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল ঘাতক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডি এই মামলার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন