জুলাই ৮, ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম
নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা খাতের মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম ধলুর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে গুণগত মান উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নতির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রথমবারের মতো শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।
শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, `লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন` প্রকল্পের আওতায় ৮১০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৪৭ হাজার ২১ জন শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বিভিন্ন বিষয়ে উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মধ্যে বেসিক ট্রেনিং, বিষয়ভিত্তিক প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট, লিডারশিপ ট্রেনিং ও আইসিটি ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচালন বাজেটে ৩ হাজার ৪০ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর উন্নয়নে `প্রাইমারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-৫`সহ পাঁচটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
ঝরে পড়া রোধে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, উপবৃত্তি প্রদান ও স্কুল ফিডিং কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে পাঠ্যপুস্তক বিতরণে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তি বাবদ ৫ হাজার ৫৩৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন