বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

ঢাকা বার নির্বাচনে এনসিপির ৩ প্রার্থী

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম

ঢাকা বার নির্বাচনে এনসিপির ৩ প্রার্থী

ঢাকা বার নির্বাচনে এনসিপি প্রার্থীরা

আসন্ন ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে নাগরিক পার্টি বা এনসিপির ৩ জন আইনজীবী নেতার নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। বুধবার রাতে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। 

এনসিপির এই প্রার্থীরা মূলত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ তথা ‘সবুজ প্যানেল’ থেকে মনোনীত হয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছেন।নাহিদ ইসলাম তাঁর ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন যে একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত এবং আধুনিক ঢাকা আইনজীবী সমিতি গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে তাঁরা কাজ করছেন। 

বিজ্ঞ আইনজীবীদের পেশাগত অধিকার রক্ষা এবং সমিতির সামগ্রিক উন্নয়নে নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষ্যেই এনসিপির সহযোগী আইনজীবী সংগঠন ন্যাশনাল এলায়েন্স বা এনএলএ-এর ৩ জন নেতাকে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনীত করা হয়েছে। তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে সবুজ প্যানেলের হয়ে ঢাকা বারে নতুন ধারার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান।

মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে মো. মেহেদী হাসান ভুঁইয়া সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ছাড়াও সদস্য পদে মনোনীত হয়েছেন বেলাল হোসাইন এবং মো. মহসীন রেজা। এনসিপির এই তিন নেতা দীর্ঘদিন ধরে আইনজীবী অঙ্গনে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁদের এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি বারের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নাহিদ ইসলাম তাঁর বার্তায় ঢাকা আইনজীবী সমিতির সব সম্মানিত সদস্য ও বিজ্ঞ আইনজীবীদের কাছে এই ৩ জন প্রার্থীসহ সম্পূর্ণ সবুজ প্যানেলের প্রার্থীদের জন্য দোয়া, সমর্থন ও সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আইনজীবীরা ভোটের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও সেবামূলক বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবেন এবং বিপুল ভোটে সবুজ প্যানেলের প্রার্থীদের জয়যুক্ত করবেন। উল্লেখ্য যে, ঢাকা বার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আদালত পাড়ায় এখন ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা ও আমেজ বিরাজ করছে। সব পক্ষই নিজ নিজ ভোটারদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এনসিপির এই তরুণ ও মেধাবী প্রার্থীদের অন্তর্ভুক্তি সবুজ প্যানেলকে নির্বাচনী মাঠে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন জোটের নীতিনির্ধারকরা।