বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

কোরবানি দিতে না পারলে করণীয় বিশেষ আমল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ২৩, ২০২৬, ০৬:২২ পিএম

কোরবানি দিতে না পারলে করণীয় বিশেষ আমল

কোরবানি দিতে না পারলে করণীয়

জিলহজ মাসে আর্থিক অসামর্থ্যের কারণে কোরবানি দিতে না পারলে করণীয় কিছু বিশেষ ইবাদত ও সওয়াবের আমল রয়েছে ইসলামে। সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব হলেও অসচ্ছল ব্যক্তিরা আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হবেন না। 

শরীয়তের বিধি অনুযায়ী পবিত্র জিলহজের চাঁদ ওঠার পর থেকে ১০ই জিলহজ ঈদের নামাজের আগ পর্যন্ত নখ, চুল বা গোঁফ না কেটে রেখে ঈদের পর তা পরিষ্কার করলে কোরবানির সমতুল্য সওয়াব মিলবে।স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (স.) তাঁর দরিদ্র ও অসচ্ছল উম্মতের পক্ষ থেকে কোরবানি সম্পাদন করে গেছেন।

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, নবীজি (স.) পশু জবাইয়ের সময় উম্মতের মধ্যে যারা কোরবানি করতে অক্ষম, তাদের পক্ষ থেকে নিয়ত করেছিলেন। এছাড়া জিলহজের প্রথম দশ দিনের সাধারণ নেক আমল অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়। 

এই দিনগুলোতে বেশি বেশি সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পাঠ করা উত্তম। বিশেষ করে ৯ থেকে ১৩ই জিলহজ পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো ৯ই জিলহজ আরাফার দিনের রোজা রাখা।রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, আরাফার দিনের একটি রোজা আগের এক বছর এবং পরের এক বছরের গুনাহের কাফফারা হতে পারে। 

ইসলামে সব কাজের প্রতিদান নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, তাই সামর্থ্য থাকলে কোরবানি করার আন্তরিক ইচ্ছা থাকলেও সওয়াব পাওয়া সম্ভব। সামর্থ্য না থাকলে ঋণ করে কোরবানি দেওয়া আবশ্যক নয়, কারণ আল্লাহ কারও ওপর সাধ্যাতীত দায়িত্ব চাপান না। আল্লাহর কাছে পশুর গোশত বা রক্ত পৌঁছায় না, কেবল মানুষের তাকওয়াই পৌঁছায়।

তথ্যসূত্র: সুরা হজ, সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, জামে তিরমিজি, সুনানে নাসায়ি