মে ২৫, ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
ঈদুল আজহা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সামর্থ্যবান মুসলিমদের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। আদম (আ.) থেকে শুরু করে সব নবীর যুগেই ত্যাগের এই নিদর্শন পালন করা হয়েছে। রাসূল (সা.) সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি না করা ব্যক্তিদের সতর্ক করেছেন।আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানি করা পশুর মাংস বণ্টনের নিয়ম রয়েছে।
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই মাংস বণ্টনের পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী, তিনি কুরবানির মাংসের একভাগ নিজের পরিবারের জন্য রাখতেন, একভাগ গরিব প্রতিবেশীদের দিতেন এবং অন্য একভাগ গরিব-মিসকিনদের মাঝে বিতরণ করতেন।
ইবন মাসঊদ (রা.)-এর বর্ণনা থেকেও একই ধরনের নিয়ম পাওয়া যায়।মাংস আত্মীয় ও গরিবদের মাঝে বিতরণ না করা উচিত নয়।কোরবানির মূল উদ্দেশ্য কেবল মাংস খাওয়া নয়, বরং এর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা।
পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, পশুর রক্ত বা মাংস আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, বরং পৌঁছায় কোরবানিদাতার তাকওয়া বা পরহেজগারিতা। অহংকারমুক্ত থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী আত্মীয়-স্বজন ও অভাবগ্রস্তদের মাঝে মাংস বিতরণ করলে ত্যাগের মহিমা পূর্ণতা পায়।তাকওয়াই হলো আল্লাহর কাছে পৌঁছানোর একমাত্র উপায়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন