শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬,

বাংলাদেশে ঈদুল আজহা কত তারিখে? ২৮ নাকি ২৯ মে

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০২:৩১ পিএম

বাংলাদেশে ঈদুল আজহা কত তারিখে? ২৮ নাকি ২৯ মে

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ

বাংলাদেশে পবিত্র শাওয়াল মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর এখন সবার নজর পবিত্র জিলহজ মাসের দিকে। ইসলামি বর্ষপঞ্জির হিসাব অনুযায়ী, রোববার অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল শাওয়াল মাস তার ৩০ দিনের চক্র পূর্ণ করছে। এই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে দেশজুড়ে নতুন মাস জিলকদ গণনা শুরু হতে যাচ্ছে। 

জিলকদ মাসের শুরু হওয়ার সাথে সাথেই মূলত কুরবানি বা ঈদুল আজহার ক্ষণগণনা শুরু করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।সাধারণত জিলকদ মাসের পরের মাসটি হলো জিলহজ, যার ১০ তারিখে উদযাপিত হয় পবিত্র ঈদুল আজহা। 

ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী, মাসের শুরু নির্ভর করে চাঁদ দেখার ওপর। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, ২০ এপ্রিল থেকে মে মাসের ১৮ তারিখ পর্যন্ত জিলকদ মাসের ২৯ দিন পূর্ণ হবে। যদি এই মাসটি ২৯ দিনে শেষ হয়, তবে ১৯ মে থেকে জিলহজ মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটি হলে বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ২৮ মে পালিত হতে পারে।

তবে এর অন্য একটি দিকও রয়েছে যা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। যদি জিলকদ মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে, তবে জিলহজ মাসের গণনা একদিন পিছিয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে জিলহজ মাস শুরু হবে ২০ মে থেকে এবং সেই হিসেবে পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে ২৯ মে। এই একদিনের ব্যবধান মূলত নির্ভর করছে মহাকাশে নতুন চাঁদের উপস্থিতির ওপর। প্রতি বছরই এই দুই সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল কাজ করে।

ইসলামিক বিধি অনুযায়ী, উৎসবের সঠিক তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার বিষয়টিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। এই বিষয়ে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সময়মতো বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। মূলত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার খবরের ওপর ভিত্তি করে সরকার ও ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ ঈদের সঠিক দিনটি ঘোষণা করবে। ততক্ষণ পর্যন্ত ক্যালেন্ডারের এই সম্ভাব্য দুটি তারিখ মাথায় রেখেই সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা তাদের কুরবানির প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছেন।

ঈদুল আজহার তারিখ নিয়ে কোনো জল্পনা বা অনিশ্চয়তা নয়, বরং স্বচ্ছ তথ্য নিশ্চিত করাই এখন সংশ্লিষ্ট মহলের লক্ষ্য। চাঁদ দেখা কমিটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এই হিসাবটিকেই প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে। ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে জিলকদ মাসের গুরুত্ব অনেক, কারণ এই মাসের পরই আসে আত্মত্যাগের মহিমায় ভাস্বর কুরবানি ঈদ। তাই নতুন মাসের শুরুর সাথেই শুরু হলো অপেক্ষার প্রহর।