বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারের সঙ্গে সূর্যবংশীর হাতাহাতি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ১৬, ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারের সঙ্গে সূর্যবংশীর হাতাহাতি

শ্রীলঙ্কার ডাম্বুলায় ভারত ‍‍`এ‍‍` দলের বিপক্ষে সুপার ওভারে স্বাগতিকদের নাটকীয় জয়ের পর মাঠে এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই ভারতীয় ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশীকে শ্রীলঙ্কা ‍‍`এ‍‍` দলের কয়েকজন ক্রিকেটারের সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়াতে দেখা যায়। সোমবার অনুষ্ঠিত ম্যাচটির সুপার ওভারের শেষ বলের ঠিক পরেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে।

মাঠে দুই দলের জ্যেষ্ঠ ক্রিকেটারদের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।টেলিভিশন সম্প্রচারের ফুটেজে দেখা গেছে, বৈভব সূর্যবংশী প্রথমে লঙ্কান বোলার কুগাথাস মাথুলানের সঙ্গে তীব্র কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। এরপর তিনি আরেক লঙ্কান ক্রিকেটার ভিশেন হালামবাগের দিকে ক্ষুব্ধভাবে এগিয়ে যান এবং তাঁকে সজোরে ধাক্কা দেন। জবাবে হালামবাগেও সূর্যবংশীকে পাল্টা ধাক্কা দিলে মাঠের পরিবেশ কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। 

তবে স্বাগতিক দলের অধিনায়ক সাহান আরাচ্চিগে এবং উইকেটকিপার নিরোশন ডিকওয়েলাসহ দুই দলের সিনিয়র সদস্যরা দ্রুত ছুটে এসে সূর্যবংশীকে সরিয়ে নিয়ে যান।এই অপ্রীতিকর ঘটনার পরেও দুই দলের খেলোয়াড়রা নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ-পরবর্তী করমর্দন সম্পন্ন করেছেন। তবে মাঠ ছাড়ার সময় ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশীকে দৃশ্যত প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ দেখাচ্ছিল। এর আগে নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভারের রোমাঞ্চকর ম্যাচে দুই দলই সমান ২৬৫ রান সংগ্রহ করায় ফল নির্ধারণে সুপার ওভারের আশ্রয় নিতে হয়। সুপার ওভারে শ্রীলঙ্কা ‍‍`এ‍‍` দল ১৬ রান তুলে ভারতের সামনে কঠিন লক্ষ্য দাঁড় করালেও সূর্যবংশী ও সূর্যাংশ শেডগে মিলে মাত্র ৯ রান করতে সক্ষম হন।

সুপার ওভারের শেষ বলে মাথুলানের করা একটি নিখুঁত ইয়র্কার খেলতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন সূর্যবংশী, যা মূলত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। ম্যাচটি শেষ হওয়ার আগেই অবশ্য আলো স্বল্পতা নিয়ে আম্পায়ারের কিছু সিদ্ধান্তে তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক তিলক ভার্মা। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ২০২৬ মৌসুমে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ৭৭৬ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে অরেঞ্জ ক্যাপ ও মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ারের পুরস্কার জিতেছিলেন এই তরুণ ব্যাটার সূর্যবংশী।