সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬,

রংপুরে চার খুন: দুই আসামির ডিএনএ সংগ্রহ ও ডোপ টেস্ট করবে পুলিশ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

আগস্ট ২৭, ২০২৬, ০১:১২ পিএম

রংপুরে চার খুন: দুই আসামির ডিএনএ সংগ্রহ ও ডোপ টেস্ট করবে পুলিশ

ছবি : সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও ফরেনসিক পরীক্ষার ওপর বিশেষভাবে নির্ভর করে থাকে। অপরাধীদের অপরাধ প্রমাণের জন্য ডিএনএ স্যাম্পলিং, মাদকাসক্তি পরীক্ষার মতো বৈজ্ঞানিক পদক্ষেপগুলো বিচারিক প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রংপুরে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি শিক্ষক পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনার তদন্তে পুলিশ এখন এই ধরনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণের ঘোষণা দিয়েছে।

রংপুরে শিক্ষক দম্পতিসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির ডিএনএ সংগ্রহ এবং ডোপ টেস্ট বা মাদকাসক্তি পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার এই তথ্য গণমাধ্যমকে জানান। এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে এই মামলার অন্যতম সাক্ষী ও গ্রেপ্তার আসামিদের বন্ধু সীমান্ত দাস এক গুরুত্বপূর্ণ জবানবন্দি দেন। 

মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান যে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আদালতে দেওয়া সাক্ষীর জবানবন্দির সঙ্গে গ্রেপ্তার দুই আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের পূর্বে দেওয়া স্বীকারোক্তির সম্পূর্ণ মিল পাওয়া গেছে। আসামিরা ঘটনার রাতে ওই যুবকের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করার যে তথ্য পুলিশের কাছে দিয়েছিলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও একই কথা উঠে এসেছে।

এর আগে গত শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামাল কাছনা এলাকার একটি বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর নিথর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। নিহত শিক্ষকের বড় ভাই বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করার পর প্রথমে থানা পুলিশ এবং পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার ডিবি পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়। বৈজ্ঞানিক এই পরীক্ষার মাধ্যমে মামলার তদন্ত কার্যক্রমে আরও নতুন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।