বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

রমজানে দিনাজপুরে সুলভ মূল্যে ডিম ও মাংস বিক্রি শুরু

মো: মামুনুর রশিদ

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম

রমজানে দিনাজপুরে সুলভ মূল্যে ডিম ও মাংস বিক্রি শুরু

সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রি :ছবি-দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুরে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সাধারণ মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। মূলত রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং নিম্নআয়ের মানুষের স্বস্তি দিতে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জেলা প্রশাসন এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। 

দিনাজপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ দুটি স্থানে এই সুলভ মূল্যের স্টোর পরিচালিত হচ্ছে যা পুরো রমজান মাসব্যাপী চলমান থাকবে।সকাল সাড়ে ১১টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের প্রধান সড়কে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

 উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। 

সুলভ মূল্যের এই বিক্রয় কেন্দ্রে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়াও পাকিস্তানি মুরগি প্রতি কেজি ২৭৫ টাকা এবং প্রতিটি ডিম মাত্র ৮ টাকা দরে ক্রেতারা সংগ্রহ করতে পারছেন।বাজার ঘুরে দেখা যায়, উদ্বোধন হওয়ার পর থেকেই স্টলগুলোতে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। নারী ও পুরুষ নির্বিশেষে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত দামে পণ্য সংগ্রহ করছেন। তবে বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে সুবিধা পৌঁছে দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। 

একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ২ কেজি গরুর মাংস, ২টি মুরগি এবং ৩ হালি বা ১২টি ডিম কিনতে পারবেন। সীমার অতিরিক্ত পণ্য বিক্রির সুযোগ না থাকায় শৃঙ্খলা বজায় থাকছে বলে জানানো হয়েছে।ক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে বর্তমানে মাংস ও ডিমের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। 

প্রশাসনের এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষ ন্যায্যমূল্যে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে পারবে। রমজানজুড়ে এ ধরনের তদারকি ও সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলমান থাকলে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্যও সেটি বড় সহায়ক হবে বলে তারা মনে করেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সরবরাহ নিশ্চিত করতে তাদের বিশেষ টিম পুরো মাস মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাবে।