সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬,

বিদেশি গণমাধ্যমে তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবর

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ১০:৩৮ এএম

বিদেশি গণমাধ্যমে তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবর

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ প্রিয় জন্মভূমিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে তার সিলেটে অবতরণ এবং এরপর ঢাকার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নিয়ে বাংলাদেশের পাশাপাশি সরব ছিল আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও।

কাতার, ভারত ও পাকিস্তানের প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোতে তার এই প্রত্যাবর্তনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।

আল জাজিরা (কাতার): কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা তারেক রহমানের এই ফিরে আসাকে একটি ‘ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় দুই দশক পর দেশের মাটিতে তার ফেরা বাংলাদেশের আগামী রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।জিও নিউজ ও দ্য ডন (পাকিস্তান): পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ শিরোনাম করেছে— ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতা তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন’। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের ফেরা বিএনপির জন্য অনেক বড় শক্তি। দ্য ডন তাদের প্রতিবেদনে তাকে ‘খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকারী’ হিসেবে অভিহিত করে লিখেছে, ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে তিনি এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে হাজির হয়েছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের বিশ্লেষণ: ভারতের গণমাধ্যমগুলো তারেক রহমানের ফেরাকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করেছে:টাইমস অব ইন্ডিয়া: তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় আসন্ন নির্বাচনে তারেক রহমানই বিএনপির মূল মুখ হতে যাচ্ছেন।এনডিটিভি: তাদের শিরোনাম ছিল— ‘নির্বাসন থেকে ফিরছেন জিয়া-পুত্র, বাংলাদেশের জন্য তারেক রহমানের গেমপ্ল্যান কী?’ প্রতিবেদনে তার রাজনৈতিক কৌশল ও ভবিষ্যৎ দেশ পরিচালনার রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ইন্ডিয়া টুডে: এই সংবাদমাধ্যমটি তারেক রহমানের ফেরাকে ভারতের জন্য ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ও ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের রাজনৈতিক অবস্থান দিল্লির কাছে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।বিশ্ব গণমাধ্যমগুলোর এই বিশেষ কভারেজ প্রমাণ করে যে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন কেবল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।