ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ১১:২৩ এএম
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান বলেছেন, মনগড়া ও ভিত্তিহীন অজুহাত দেখিয়ে গাজায় মানবিক ত্রাণ প্রবেশে ক্রমাগত বাধা সৃষ্টি করছে ইসরায়েল। ত্রাণ সরবরাহে এই অমানবিক বাধার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, তেলআবিব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে করা যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) আঙ্কারায় ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (একে) পার্টির এক সভায় বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এই খবর নিশ্চিত করেছে।
চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ: এরদোয়ান বলেন, “গত ১১ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, ইসরায়েলের বারবার চুক্তি লঙ্ঘনের কারণে উপত্যকার সাধারণ মানুষের দুর্দশা একটুও কমেনি।
তিনি জানান, দখলদার বাহিনীর এই একগুঁয়েমির মুখে তুরস্ক চুপ করে বসে থাকবে না এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে।তুরস্কের দৃঢ় অবস্থান: তুর্কি প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলেন, “আমরা ফিলিস্তিনে আমাদের সাহায্য বৃদ্ধি করব। আমরা পিছু হটব না, আমরা চুপ থাকব না, আমরা ভুলব না এবং আমরা কখনই গাজাকে একা ছেড়ে দেব না। তিনি আরও যোগ করেন যে, তুরস্ক সবসময় শান্তির পক্ষে থাকলেও অন্যায়ের সাথে কখনও আপস করবে না।
শান্তি বনাম নিপীড়ন: এরদোয়ান জোর দিয়ে বলেন, “সকলের জানা উচিত, অতীতের মতো আজও আমরা শান্তির পক্ষে। তবে এর অর্থ এই নয় যে আমরা অন্যায়কে মেনে নেই বা নিপীড়নের মুখে নীরব থাকি।” আন্তর্জাতিক মহলের উদাসীনতার মাঝে ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় আঙ্কারার অবস্থান যে আগের চেয়েও কঠোর হবে, তার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, গাজার উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তে ইসরায়েলি সামরিক বেষ্টনীর কারণে খাদ্য ও ওষুধের চরম সংকট দেখা দিয়েছে, যাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ‘মানবিক বিপর্যয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন