সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ইরানি তেল আমদানিতে চীনের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ১১:০০ এএম

ইরানি তেল আমদানিতে চীনের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও হুঁশিয়ারি

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে চীন আর ইরান থেকে তেল নিতে পারবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানি তেলবাহী কোনো চীনা ট্যাংকার পাওয়া গেলে তা কঠোরভাবে আটকে দেওয়া হবে। ওয়াশিংটন ডিসিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বেসেন্ট বলেন, “চীনকে ইরানের তেল পেতে দেওয়া হবে না। তারা চাইলে অন্য কোনো উৎস থেকে তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে পারে, কিন্তু ইরানের তেল তারা কোনোভাবেই নিতে পারবে না।” মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অর্থনৈতিক শক্তি কমিয়ে আনতেই ওয়াশিংটন এই কঠোর নৌ-অবরোধ ও নজরদারির পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চীনা কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, ইরানের তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা হিসেবে চীন বর্তমানে বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে নির্ভরযোগ্য আচরণ করছে না। বেসেন্টের অভিযোগ অনুযায়ী, চীন একদিকে তেলের বিশাল মজুত গড়ে তুলছে, অন্যদিকে নিজেদের কিছু কৌশলগত পণ্যের রপ্তানি সীমিত করে দিচ্ছে। 

এ বিষয়ে ইতোমধ্যে তিনি চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন বলেও জানান।এদিকে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে চীনের জ্বালানি ঘাটতি মেটানোর আশ্বাসের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের এই চরম হুঁশিয়ারি বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। 

তবে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি আগামী মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পিত বেইজিং সফরে কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করতে রাজি হননি স্কট বেসেন্ট। তিনি কেবল বলেন, “এই সফরের মূল বার্তা হওয়া উচিত স্থিতিশীলতা। গত গ্রীষ্মের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে যে স্থিতিশীলতা এসেছে, যোগাযোগই হবে তা বজায় রাখার প্রধান উপায়।”