মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬,

জর্ডান ও ওমানে মার্কিন রাডারে ইরানের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ১৭, ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম

জর্ডান ও ওমানে মার্কিন রাডারে ইরানের হামলা

ছবি - সংগৃহীত

জর্ডানে মার্কিন যুদ্ধবিমান ও ওমানে থাকা মার্কিন সামরিক নজরদারি রাডারে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, চলমান ইরানি হামলার ১৩তম ধাপে এই প্রতিশোধমূলক অভিযান চালানো হয়েছে।আইআরজিসি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে, ওমানের ঘানিম অঞ্চলে একটি মার্কিন বিমান নিয়ন্ত্রণ রাডার এবং ইরান ও ওমানকে বিভক্তকারী হরমুজ প্রণালির পাথুরে অংশে থাকা একটি সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ রাডার ধ্বংস করা হয়েছে।

সিরিয়ার আল-তানফ জেলায় একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ইরানি হামলার পরপরই জর্ডানে মার্কিন যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে এই হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, এসব অভিযানে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলো সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের ডিপো এবং দুটি হিমার্স ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল লঞ্চার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।মূলত ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো, বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ ও রেল নেটওয়ার্কের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই ধারাবাহিক সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি। তাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম দৃঢ়তার সঙ্গে অব্যাহত থাকবে।

এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে অঞ্চলটিতে সামরিক তৎপরতা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই উত্তেজনা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামসহ ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্যের ওপর প্রভাব ফেলছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।