অক্টোবর ১৬, ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তরুণদের আন্দোলন ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লি। নির্বাচনে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে সমসাময়িক রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই বিক্ষোভের কোনো প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়তে দেওয়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনের শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
অশান্তি তৈরির যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার বার্তা দেন তিনি। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, দেশে থেকেই দেশকে ভেতর থেকে দুর্বল করার এক গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দেশের সাধারণ মানুষ এসব মেনে নেবে না এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে কোনোভাবেই এই ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।
এদিকে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নয়াদিল্লির প্রাণকেন্দ্রে তেরঙ্গা ওড়াও কর্মসূচির ডাক দেয় আন্দোলনকারী সংগঠনটি।
হিন্দি স্লোগানে লেহরা দো তিরঙ্গা নামে ডাকা এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে মোতায়েন করা হয় কঠোর নিরাপত্তা বলয়। জমায়েত প্রতিহত করতে দিল্লি পুলিশ সংগঠনটির জাতীয় আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকের কাছে আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাঠিয়েছে। শুক্রবার পুলিশের একটি বিশেষ প্রতিনিধিদল নোটিশ পৌঁছে দিতে অভিজিৎ দীপকের বাসভবনে যায়।
ভোটার তালিকা সংক্রান্ত অনিয়ম থেকেই এই সংঘাতের সূচনা।
ভারতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তোলে ককরোচ জনতা পার্টি। এরপর থেকেই তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি শুরু করে।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে আন্দোলন চলাকালে দলটির অন্যতম মুখপাত্র সৌরভ দাস ও সহআহ্বায়ক আশুতোষ রানকাকে গ্রেপ্তার করে দেশটির পুলিশ। শীর্ষ নেতাদের আটকের তীব্র প্রতিবাদেই মূলত শুক্রবার রাজধানীতে জাতীয় পতাকা হাতে নতুন করে গণবিক্ষোভের ডাক দেয় সংগঠনটি।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন