রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬,

সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা

জাতীয় ডেস্ক

এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম

সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা

ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম

আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের মোট ১০ হাজার ৫৬৮টি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ সুবিধা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি সরকারের এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

এর অংশ হিসেবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২ হাজার ৩৩৬টি কারিগরি এবং ৮ হাজার ২৩২টি মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হবে।

মাদরাসা শিক্ষাকে সমসাময়িক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মাদরাসা শিক্ষার পাঠ্যক্রমে বিভিন্ন কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং প্রতিটি জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে আনতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও দেড় হাজার প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ দেওয়া হবে।শিক্ষার্থীদের পরিচয় নিশ্চিতে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে স্মার্ট করতে প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের জন্য অনন্য ডিজিটাল পরিচয় বা ‘এডু-আইডি’ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

নির্বাচনের ইশতেহার অনুযায়ী নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করে তুলতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সরকার ‘স্কুল ফিডিং’ বা মিড ডে মিল কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় এই সুবিধা চালু করা হবে। এ ছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে সবার জন্য বাধ্যতামূলক করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে আইসিটি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে অ্যাগ্রিকালচার ইনটেলিজেন্স, সাইবার সিকিউরিটি, পাইথন প্রোগ্রামিং এবং ওয়েব-ভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ও ডিজাইন ইউজিং ফ্লাটারের মতো আধুনিক কোর্সগুলোও এই প্রশিক্ষণ তালিকার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।