মে ২১, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার মাঝে অভ্যন্তরীণ নদী ব্যবস্থাপনায় নতুন গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। শুষ্ক মৌসুমে উত্তরাঞ্চলে সেচ সংকট মোকাবিলায় সরকার এখন বিকল্প পানি ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের ওপর জোর দিচ্ছে। নীতিনির্ধারকরা বলছেন, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে নিজস্ব প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করাই মূল লক্ষ্য।
পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ প্রকল্প ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা এখন সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায়।পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, পানি সংরক্ষণ ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়া বড় প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে নদী শাসন ও পানি ধরে রাখার সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সরকার নিজস্ব অর্থায়নে ছোট-বড় নদীগুলোকে পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।নিজস্ব পানি সংরক্ষণ ও নদী ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেওয়াটা অত্যন্ত ইতিবাচক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ ভারতের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তবে একইসঙ্গে অভিন্ন নদীর ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কূটনৈতিকভাবে কৌশলী অবস্থান ধরে রাখা প্রয়োজন। টেকসই অভ্যন্তরীণ পানি ব্যবস্থাপনাই হতে পারে ভবিষ্যতের বড় সমাধান, যা কৃষি খাতের উৎপাদন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখবে।অভ্যন্তরীণ পানি ব্যবস্থাপনাই ভবিষ্যতের বড় সমাধান হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন